1. newsroom@saradesh.net : News Room : News Room
  2. saradesh.net@gmail.com : saradesh :
যুবলীগ নেতা সম্রাটকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে - সারাদেশ.নেট
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন

যুবলীগ নেতা সম্রাটকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে

  • Update Time : বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২

সুপ্রিমকোর্ট প্রতিবেদক:
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন বাতিল করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে সম্রাটের আনা ‘লিভ টু আপিল’ খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে এখনই তার কারামুক্তি মিলছে না। তাকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগ বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এ মামলায় গত ১১ মে জামিন পেয়েছিলেন সম্রাট। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ তাকে জামিন দিয়েছিলো। পরে সম্রাটের ওই জামিন আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক।

দুদকের আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত ১৮ মে সম্রাটের জামিন বাতিল করেন। একই সঙ্গে সম্রাটকে সাত দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে সম্রাট আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

আদালতে সম্রাটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও মুনসুরুল হক চৌধুরী। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র এডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

এডভোকেট খুরশীদ আলম খান সারাদেশকে বলেন, হাইকোর্ট সম্রাটের জামিন বাতিল করে যে আদেশ দিয়েছিলেন, তা বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। সম্রাটের লিভ টু আপিল খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। তাই এ মামলায় সম্রাটকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর সম্রাট ও আরমানকে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকায় আনার পর সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালায় র‍্যাব। সম্রাটের কার্যালয়ে বন্য প্রাণীর চামড়া, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র পাওয়ার কথা জানানো হয়। বন্য প্রাণীর চামড়া রাখায় ভ্রাম্যমাণ আদালত সম্রাটকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।
পরে সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করা হয়। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) আইনে মামলা রুজু করে।

এছাড়াও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ডিএএম/কেকে//

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *