1. newsroom@saradesh.net : News Room : News Room
  2. saradesh.net@gmail.com : saradesh :
লিগ্যাল এইডের কল সেন্টারে ছয়মাসে ১২৭৯৭ জনকে আইনি সেবা - সারাদেশ.নেট
সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১১:৪১ অপরাহ্ন

লিগ্যাল এইডের কল সেন্টারে ছয়মাসে ১২৭৯৭ জনকে আইনি সেবা

  • Update Time : শনিবার, ৭ মে, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২১-২০২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কল সেন্টারের মাধ্যমে ১২ হাজার ৭’শ ৯৭ জনকে আইনি পরামর্শ ও তথ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার পরিচালক (সিনিয়র জেলা জজ) মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

এছাড়াও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে গরীব ও অসহায় ৫৬ হাজার ৮৭৭ জন সরকারি খরচায় আইনি সহায়তা পেয়েছেন।
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থ বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর এই ছয় মাসে সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এই সময়ে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্ধারিত হটলাইন কলসেন্টার ১৬৪৩০ নম্বরে (টোল ফ্রি) ১২ হাজার ৭৯৭ জন বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পেয়েছেন।

করোনা সংকটেও জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার অধীনে আর্থিকভাবে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থীদের সারাদেশের আদালতসমূহে আইনি সহায়তা অব্যাহত ছিল। করোনার এই প্রাদুর্ভাবের কারণে আইন সহায়তা প্রত্যাশীরা অফিসের নির্ধারিত নাম্বারে যোগাযোগ করলেই আইনি পরামর্শ পেয়েছেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নির্ধারিত হটলাইন নাম্বার ১৬৪৩০ নম্বরে (টোল ফ্রি) আইনি সেবা অব্যাহত রয়েছে।

আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল,অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগনকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০’ প্রনয়ন করে। ২০০০সালে তৎকালীন শাসন আমলে আইনটি প্রনয়ন করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার। তারপরের সরকার গুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্টিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আওয়ামীলীগ দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনটি কার্যকরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।

২০০০ সালে প্রনীত আইনটি অনুযায়ি ‘জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা’ গঠন করা হয়। রাজধানীর ১৪৫, নেউ বেইলী রোডে এ সংস্থার প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে।

এর ব্যাপ্তি সুপ্রিমকোর্ট, দেশের সকল জেলা, অধঃস্তন আদালত, শ্রম আদালত, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এখন প্রতিষ্ঠিত।

জেলা কমিটি গঠন, প্রতিটি জেলা জজ আদালতে এর কার্যালয় রয়েছে। নানা প্রচার, প্রচরণা, সেমিনার-কর্মশালা ও প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এ সেবা এখন মানুষের দোড়গোড়ায়। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখন এ সেবাকে অরো সহজ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে।

এ ওয়েবসাইটে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য জানা যায়।

ডিএএম/কেকে//

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *