1. newsroom@saradesh.net : News Room : News Room
  2. saradesh.net@gmail.com : saradesh :
কক্সবাজারের ঘটনায় ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য কাম্য নয় : হাইকোর্ট - সারাদেশ.নেট
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের ঘটনায় ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য কাম্য নয় : হাইকোর্ট

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারে এক নারী পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগের বিচারিক অনুসন্ধান চেয়ে আনা রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট বলেছেন, তদন্তকালে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরস্পরবিরোধী বক্তব্য কাম্য নয়।

আদালত বলেছেন, ভুক্তভোগী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে। এই পর্যায়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দুঃখজনক। ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য এলে পরে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন হলেও মানুষের মনে নানা রকম ধারণা হতে পারে।

বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে বিষয়টির ওপর শুনানিকালে এই মন্তব্য করেন আদালত।। আদালত রিটটি স্ট্যান্ডওভার (শুনানি মুলতবি) রেখেছেন।

আদালতে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

শুনানিতে রিট আবেদনকারী আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, কক্সবাজারের ঘটনায় পুলিশ ও র‍্যাবের বক্তব্যে অসামঞ্জস্য রয়েছে। তাদের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য গণমাধ্যমে এসেছে। তাই ২২ ডিসেম্বরের ওই ঘটনার বিচারিক অনুসন্ধানের নির্দেশনা চাচ্ছি। আদালত বলেন, তদন্তের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি এজেন্সি আরেকটি এজেন্সিকে সহযোগিতা করতে পারে। তবে তদন্তকালে তদন্ত কর্মকর্তাদের কথা কম বলাই ভালো।

কক্সবাজারে পর্যটককে দলবেধে ধর্ষণের অভিযোগের ওই ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে গতকাল রিট পিটিশনটি দায়ের করা হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল হারুন ভূইয়া রাসেল রিটটি দায়ের করেছেন।

রিটে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনী পদক্ষেপের নির্দেশনার পাশাপাশি রুল চাওয়া হয়েছে। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারসহ ৬ জনকে রেসপনডেন্ট (বিবাদী) করা হয়েছে।

গত বছরের ২২ ডিসেম্বর স্বামী-সন্তানকে জিম্মি ও হত্যার ভয় দেখিয়ে এক নারী পর্যটককে দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ পেয়ে রাত দেড়টার দিকে কক্সবাজারের কলাতলীর ‘জিয়া গেস্ট ইন’ নামে একটি হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব-১৫।

পরদিন ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার প্রধান আসামি আশিকুর রহমান আশিকসহ কয়েক আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ডিএএম/কেকে//

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *