1. newsroom@saradesh.net : News Room : News Room
  2. saradesh.net@gmail.com : saradesh :
সানলাইফ ইনসিওরেন্সের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার - সারাদেশ.নেট
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০১:৫০ অপরাহ্ন

সানলাইফ ইনসিওরেন্সের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার

  • Update Time : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১

দিদারুল আলম:
দেশের অন্যতম জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

দেশের এই বীমা প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘ প্রায় ২২ বছরের সুনাম নষ্ট করতেই একটি মহল এই অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বিগত ১০ বছর ধরে সম্পৃক্ত নন। প্রতিষ্ঠানটিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ জড়িত আছেন। এটি পাবলিক লিমিটিড কোম্পানী হওয়ায় হাজার হাজার শেয়ারহোল্ডার সংশ্লিষ্ট আছেন। গ্রাহক সেবায় বিগত দুই দশকে কোম্পানীটি ব্যাপক সুনাম ও প্রশংসা অর্জন করেছে।

কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে কোনরূপ সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককে জড়িয়ে প্রতিবেদন প্রচারই প্রমান করে প্রতিবেদন উদ্দেশ্যমূলক।

কোম্পানীটির চেয়ারম্যান, পরিচালক ও মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা গনমাধ্যমকে সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানীর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবী করেন।

সানলাইফ কর্তৃপক্ষ জানায়, মহামারি করোনা জনিত পরিস্থিতির কারণে গ্রাহকদের প্রদেয় বার্ষিক বীমা কিস্তি (রেন্যুয়াল) ২০১৯, ২০২০ ও চলতি ২০২১ সালে অফিসে জমা হচ্ছেনা। ফলে চলমান করোনা পরিস্থিতি জনিত কারণে মাঠ পর্যায়ে গ্রাহকদের কাছে পাওনা কোম্পানীর প্রায় ২৫০ কোটি টাকা রেন্যুয়াল (বার্ষিক কিস্তি) বাকী পড়ে রয়েছে।

করোনা মহামারি জনিত পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ বা ম্যাচিউরড কিছু বীমার টাকা গ্রাহকদের প্রদানে সাময়িক সমস্যা তৈরী হয়েছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষ সুরাহায় ঘোষণাও দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও একটি মহল সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানীর কুষ্টিয়াসহ দু’একটি অঞ্চলের কিছু গ্রাহকদের নিয়ে কোম্পানীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদন প্রচার করেন। ওই প্রতিবেদনে কোম্পানী কর্তৃপক্ষের পুরো বক্তব্য না নিয়ে একপেশে প্রতিবেদন প্রচার করা হয়েছে।

এরূপ উদ্দেশ্যমূলক সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানীই নয় দেশের বীমা শিল্পের প্রতি জনমনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে এ শিল্পের সাথে জড়িতরা জানান।

কোম্পানী কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধু ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৩৭৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা গ্রাহকের বীমা দাবী পরিশোধ করা হয়েছে।

সানলাইফের চেয়ারম্যান প্রফেসর রুবিনা হামিদ বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে দূঃখিত যে আমরা করোনা সংকটের কারণে সঠিক সময়ে কিছু সংখ্যক গ্রাহককে তাদের পলিসির টাকা দিতে পারিনি। করোনা সংকটেও আমরা ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা গ্রাহককে দিয়েছি। আমাদের চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই। করোনা সংকটের কারণে মাঠ পর্যায়ে কোম্পানীর বিপুল পরিমান রেন্যুয়াল জমা হয়নি। গ্রাহকের সব পাওনা দেয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় সানলাইফ বদ্ধপরিকর।

কোম্পানীর পরিচালক ড. কাজী আকতার হামিদ সারাদেশ.নেটের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষায় সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী বদ্ধপরিকর। সানলাইফ গ্রাহকদের বীমা দাবী নিয়মিত পরিশোষ করে আসছে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। করোনাভাইরাস মহামারি জনিত পরিস্থিতিতে ব্যবসা, বানিজ্য,শিক্ষা সকল সেকটরেই স্বাভাবিক কাজে বিঘ্ন ঘটছে। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে আমাদেরও এগুতো হচ্ছে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ আর্থিক নিরাপত্তা ও ঝুকিঁর কথা চিন্তা করে তাদের কষ্টের উপার্জন থেকে আর্থিক সঞ্চয় এবং বিপদে পরিবারের আর্থিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যত প্রয়োজনে বীমা পলিসি করে। তাই গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষায় সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী বদ্ধপরিকর।

ড. কাজী আকতার হামিদ বলেন, সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানীর কিছু গ্রাহকের বীমা দাবী পরিশোধ সংক্রান্ত কয়েকটি গনমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি’কে জড়িয়েও বক্তব্য দেয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে জাহিদ মালেক সম্পৃক্ত নন বিগত প্রায় ১০ বছর। প্রতিষ্ঠানটিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য এবং দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিবর্গ জড়িত আছেন। এটি পাবলিক লিমিটিড কোম্পানী হওয়ায় হাজার হাজার শেয়ারহোল্ডার সংশ্লিষ্ট আছেন।

ড. হামিদ বলেন, কোম্পানীর পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেককে জড়িয়ে প্রতিবেদন প্রচারই প্রমান করে প্রতিবেদনটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক এবং ব্যবসারিক সাফল্য ও সুনাম নষ্ট করতেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক প্রতিবেদন প্রচার করা হয়েছে।

কোম্পানীর মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম বলেন, গ্রাহকদের টাকা অল্প সময়ের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সানলাইফের পরিচালনা পর্ষদের সাথে জড়িত নন।

একক এবং নানা ক্ষুদ্র পলিসির পাশাপাশি সানলাইফে রয়েছে গ্রুফ বীমা প্রকল্প।

দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সঙ্গেও রয়েছে সানলাইফ ইনসিওরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের বীমা চুক্তি। এছাড়াও সাংবাদিকদের বেশকটি সংগঠন সানলাইফে গ্রুপ বীমা চুক্তি করেছে।

যুক্তি অনুযায়ী ডিআরইউ’র কোনো সদস্যের মৃত্যুতে পরিবারের কাছে সানলাইফ বীমা দাবীর অর্থ পরিশোধ করছে। ডিআরইউ’র চুক্তির আওতায় এর কোনো সদস্য মৃত্যুবরণ করলে তিন লাখ টাকা পান। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে চার লাখ টাকা পান। তাছাড়াও চিকিৎসা সংক্রান্ত আরো সুবিধা পান সদস্যরা।

ডিএএম/এমএইচ//

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *