1. newsroom@saradesh.net : News Room : News Room
  2. saradesh.net@gmail.com : saradesh :
নতুন আশার আলো সাপে কাঁটা রোগীর চিকিৎসায় - সারাদেশ.নেট
শনিবার, ০৬ মার্চ ২০২১, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

নতুন আশার আলো সাপে কাঁটা রোগীর চিকিৎসায়

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২১

সারাদেশ ডেস্ক : প্রতিষেধকের অভাবে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতেই বেশি।

ওরিয়েন্টেশন অন স্নেক বাইট ম্যানেজমেন্ট’ সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্য মতে- বাংলাদেশে প্রতিবছর আনুমানিক ছয় লাখ মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। আর মারা যান ছয় হাজার জন।

বাংলাদেশে সাধারণত পাঁচ ধরনের বিষাক্ত সাপের দেখা মেলে, এগুলো হলো—গোখরা, কেউটে, চন্দ্রবোড়া, সবুজ সাপ ও সামুদ্রিক সাপ।

চিকিৎসা ও প্রতিষেধকের অভাবে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সংখ্যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতেই বেশি। তবে আশার আলো দেখাচ্ছে নতুন এক গবেষণা থেকে পাওয়া প্রতিষেধক। ব্রিটেনের লিভারপুল স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন সম্প্রতি এমন একটি গবেষণার কথা প্রকাশ করেছে।

পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে গত বিশ বছরে ১২ লাখ মানুষ সাপের কামড়ে মারা গেছে বলে নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে।

ভারতীয় উপমহাদেশে সর্পদংশনে বেশির ভাগ মানুষ মারা যায় কোবরা (ভারতীয় গোখরা) , রাসেলস ভাইপার এবং ক্রেইৎস (কালাচ) প্রজাতির সাপের কামড়ে। বাদবাকি মৃত্যুর ঘটনা ঘটে অন্যান্য অন্তত ১২টি বিভিন্ন প্রজাতির সাপের কামড়ে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাপের কামড়ে মৃত্যু হয় যেসব এলাকায় দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় না। ইলাইফের এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ২০০১ সালে থেকে ২০১৪ পর্যন্ত, সাপের কামড়ে মারা যাবার ৭০% ঘটনা ঘটেছে ভারতের আটটি রাজ্যে- বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্য প্রদেশ, ওড়িশা, উত্তর প্রদেশ, অন্ধ্র প্রদেশ, রাজস্থান এবং গুজরাটে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, “সাপের কামড় সস্পর্কে মানুষের মধ্যে অবৈজ্ঞানিক ভ্রান্ত ধারণা বিদ্যমান। এনিয়ে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসার চর্চা এখনও ব্যাপকভাবে শুরু হয়নি”।

এঅবস্থায় পরিস্থিতি আরো বিগড়ে দিতে ভুল প্রতিষেধক প্রয়োগ কেবল অকেজই নয়, বরং আরো বিপজ্জনক হতে পারে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য। কারণ ভুল চিকিৎসা কখনও কখনও আরো ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

এসএস//

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *