Dhaka ১২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতীকি ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিত: সর্বোচ্চ আদালতে ব্যারিস্টার সালাউদ্দিন দোলন সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও এতিমদের নিয়ে ককক্সবাজার ভ্রমনে দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে বিএফইউজে-ডিইউজে’র আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৯ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে অবকাশ : জরুরি মামলা শুনানিতে অবকাশকালীন বেঞ্চ জান প্রাণ দিয়ে জনআস্থা ধরে রাখতে হবে : তারেক রহমান বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক কল্যান সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক : সভাপতি রফিকুল মহাসচিব সাত্তার সাংগঠনিক তোফাজ্জল কোটায় চাকরি : কুমিল্লার এসপি হচ্ছেন জুলাই বিপ্লবে গুলি করা ছাত্রলীগ ক্যাডার নাজির সম্প্রচারিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, কাল্পনিক এবং ভিত্তিহীন : সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন মতিঝিল থানা ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগসহ ১১টি দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে রিট

বিচারপতি একেএম ফজলুর রহমানের মৃত্যু: প্রধান বিচারপতির শোক

  • Update Time : ১০:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১
  • / ৮ Time View

সুপ্রিমকোর্ট প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম ফজলুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ জনিত অবস্থায় চিকিৎসাধীন এ বিচারপতি গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। সুপ্রিমমকোর্টের মুখপাত্র ও বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিচারপতি একেএ ফজলুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মোঃ রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, মরহুমের জানাজা আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা কাকরাইল জাজেস কমপ্লেক্স সংলগ্ন টিপটপ মসজিদে এবং বাদ আসর ঢাকাস্থ দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নে মরহুমের গ্রামের বাড়িতে বাহ্রা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

সুপ্রিমকোর্ট বার সম্পাদক বলেন,
বিচারপতি ফজলুর রহমান অত্যন্ত সৎ ও নির্ভিক বিচারপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন ফৌজদারী মোশন বেঞ্চ পরিচালনা করেছেন। একজন বিচারপতি যে আইনের প্রয়োগ কত দৃঢ়ভাবে করতে পারেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছিলেন তিনি। ব্যারিস্টার কাজল মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বিচারপতি একেএম ফজলুর রাহমান ১৫ জানুয়ারি ১৯৪৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিসে মুন্সেফ (সহকারী জজ) হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হন। ২০০২ সালে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৪ সালে তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

বাসস/এএসজি/ডিএ//

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিচারপতি একেএম ফজলুর রহমানের মৃত্যু: প্রধান বিচারপতির শোক

Update Time : ১০:৫৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ অগাস্ট ২০২১

সুপ্রিমকোর্ট প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম ফজলুর রহমান ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ জনিত অবস্থায় চিকিৎসাধীন এ বিচারপতি গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। সুপ্রিমমকোর্টের মুখপাত্র ও বিশেষ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিচারপতি একেএ ফজলুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মোঃ রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, মরহুমের জানাজা আজ শুক্রবার বাদ জুম্মা কাকরাইল জাজেস কমপ্লেক্স সংলগ্ন টিপটপ মসজিদে এবং বাদ আসর ঢাকাস্থ দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নে মরহুমের গ্রামের বাড়িতে বাহ্রা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

সুপ্রিমকোর্ট বার সম্পাদক বলেন,
বিচারপতি ফজলুর রহমান অত্যন্ত সৎ ও নির্ভিক বিচারপতি ছিলেন। দীর্ঘদিন ফৌজদারী মোশন বেঞ্চ পরিচালনা করেছেন। একজন বিচারপতি যে আইনের প্রয়োগ কত দৃঢ়ভাবে করতে পারেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছিলেন তিনি। ব্যারিস্টার কাজল মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বিচারপতি একেএম ফজলুর রাহমান ১৫ জানুয়ারি ১৯৪৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। ১৯৭৩ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিসে মুন্সেফ (সহকারী জজ) হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হন। ২০০২ সালে হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০৪ সালে তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

বাসস/এএসজি/ডিএ//